ওয়াছ কুরুনী : নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার আদমিয়া ইউনিয়নের চাঁনগাও গ্রামে একটি পুকুর থেকে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মনসুর আলী (২৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মনসুর আলী চাঁনগাও গ্রামের বাসিন্দা মোতালিবের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি খবর পেয়ে পুকুর থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্টের পর ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে মাধবদী থানা পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে-তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
অপরদিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় গাছ থেকে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র আল মামুন মিয়া নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহত মামুন মিয়া গালিমপুর গ্রামের মোমেন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত দুই দিন আগে প্রতিবেশি ইসমাঈলের ছেলে আজিজুর ইসলাম, মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের কয়েকটি ডাব গাছ থেকে ডাব পাড়ায়। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে তা নিয়ে আজিজুরের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিক ভাবে আপোস মিমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ আজিজুর। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের লোকেরা দা,ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থ পরিদর্শন করে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।